কিছুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির মূল্য লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছিল। একপর্যায়ে তা বিগত ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ স্তরে উঠেছিল। অবশেষে খাদ্যপণ্যটির দাম বুধবার কমেছে।
চিনির দাম
আন্তর্জাতিক বাজার দর এবং স্থানীয় মিলসমূহের উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় চিনির দাম প্রতিকেজি ৫ টাকা কমিয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার থেকে নতুন এই দাম কার্যকর করা হবে।
কোরবানির ঈদের আগে চিনির দাম বাড়ানোর কথা জানিয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে মিল মালিকরা। চিঠিতে ২২ জুন থেকে চিনির দাম কেজিতে সর্বোচ্চ ২৫ টাকা বাড়ানোর কথা জানানো হয়।
ছয় মাসের ব্যবধানে দ্বিতীয়বারের মতো চিনির দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। এত দিন সংস্থাটি প্রতি কেজি চিনি ৬০ টাকা বিক্রি করতো। এবার টিসিবির পরিবার কার্ডধারীদের চিনি কিনতে হবে ৭০ টাকা কেজিতে।
খোলা চিনির দাম কেজিপ্রতি ১৬ টাকা বাড়িয়ে ১২০ টাকা নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আর প্যাকেটজাত চিনির কেজি ১২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঢাকার বাজারে ১০ দিনের ব্যবধানে খোলা চিনির দাম কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর বাজারে খোলা চিনির দাম বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়।
বাজারে অন্যান্য নিত্যপণ্যের সাথে গরিবের আমিষ বলে খ্যাত ডাল এখন নাগালের বাইরে চলে গেছে। প্রতি কেজি মোটা দানার মসুর ডাল এখন ১১০ টাকায় উঠে গেছে। মাঝারি দানা ১২০ টাকা এবং ছোট দানার মসুর ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।